টিসিবির কার্যক্রমে নাগরিক কমিটি সম্পৃক্ত করা হবে —বাণিজ্যমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) সেবাকে সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আগামীতে নাগরিক সমাজকে আরো বেশি সম্পৃক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

গতকাল সিলেট নগরের লাক্কাতুরা এলাকায় টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাক সেল কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘টিসিবি পণ্য সরবরাহ কেবল একটি বিতরণ প্রক্রিয়া নয়, এটি একটি জরুরি সেবা। এ সেবা যেন জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হয় এবং সাধারণ মানুষ কোনো ভোগান্তি ছাড়াই পণ্য পায়, আমরা সেটি নিশ্চিত করব।’

এ লক্ষ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক নাগরিক কমিটি করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতা রক্ষায় প্রতিটি ওয়ার্ডে এক বা একাধিক নাগরিক কমিটি গঠন করে দেয়া হবে। তারা তদারকি করবেন যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে।’

পবিত্র রমজানে সরকার সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রির যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে, তার অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম চলছে জানিয়ে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত দেশব্যাপী এ ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল অব্যাহত থাকবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সাল আজাদ, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হোসেন চৌধুরী, নাসিম হোসাইনসহ অন্যরা।

পবিত্র রমজান উপলক্ষে সরকার টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করছে। এ কার্যক্রমের আওতায় ঢাকায় ৫০টি, চট্টগ্রামে ২০ ও সাতটি বিভাগীয় এলাকায় ১৫টি করে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, ডাল ও খেজুর বিক্রি করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ৫৫ জেলায় পাঁচটি করে ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে একজন ভোক্তাকে সর্বোচ্চ দুই লিটার তেল, এক কেজি চিনি, দুই কেজি ডাল, এক কেজি ছোলা ও বরাদ্দ সাপেক্ষে আধাকেজি খেজুর দেয়া হচ্ছে।

রোজায় ছোলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা ও খেজুর ১৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১১৫ টাকা, চিনি ৮০ টাকা ও মসুর ডাল ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে টিসিবি।

আরও